শিরোনাম
দৈনিক অনুসন্ধান | ০৯:৪৮ পিএম, ২০২২-০৭-২৫
নিউজ ডেক্সঃ
উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) বিভাগ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর দিক নির্দেশনায়, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর) বিভাগ, সিএমপি, চট্টগ্রাম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুলিশ পরিদর্শক আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে নগরীর আকবরশাহ থানাধীন নন্দন আবাসিক এলাকার ১০৩ নং বিল্ডিংয়ের ৪র্থ তলায় অভিযান পরিচালনা করে মমতাজ বেগম নামীয় এক নারী প্রতারককে আটক করা হয়েছে। আটককৃত মমতাজ বেগম এর বিরুদ্ধে চাকুরী পাইয়ে দেওয়ার নাম করে চাকুরী প্রত্যাশী নারী পুরুষদের নিকট থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েে আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। সে নিজেকে কখনও বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের পরিচালক, কখনও সরকারী উচ্চ পদস্থ কর্মর্কতাসহ বেসামরিক বিমান ও পরিবহন মন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় প্রদান করে চাকুরী প্রত্যাশীদের মনে বিশ্বাস স্থাপন করে।
ডিবি অফিসে ভুক্তভোগীরা প্রতিকার চেয়ে হাজির হলে উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি-উত্তর), সিএমপি, চট্টগ্রাম জনাব মুহাম্মদ আলী হোসেন এর নির্দেশে মমতাজ বেগমকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার এক পর্যায়ে তার অবস্থান সনাক্ত করে সিএমপি আকবরশাহ থানাধীন নন্দন হাউজিং সোসাইটির ১০নং রোডস্থ ১০৩নং বিল্ডিংয়ের ৪র্থ তলার ভাড়া বাসা হতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে ভুক্তভোগী রুমানা আক্তার (৩৭), জুই আকতার (২৫), তাহমিনা খানম (২২), জেরিন আক্তার (২৪), সেলিম (৩০), নাজিম (৩২), শহীদুল (৪৪), বশির আহমেদ (৪০) সহ শতাধিক ব্যক্তিকে বিমান বন্দর, বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের বিমানবালাসহ আরো লোভনীয় পদের চাকরী পাইয়ে দিবে বলে কোটি কোটি টাকার উপর হাতিয়ে নিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল।
প্রতারণার অভিনব কৌশল হিসাবে সে বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনস্ এর আইডি কার্ড,বিমানবালাদের পোশাক ও টাই সরবরাহ, অঙ্গীকারনামা গ্রহণ, চাকুরীতে যোগদান ফরম, বিমান সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ, টিআইএন সার্টিফিকেট তৈরী এবং বিভিন্ন রেজিষ্ট্রারে স্বাক্ষর, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, মেডিকেল চেকআপ ইত্যাদি ব্যবহার করে। চাকুরী প্রত্যাশী অনেককে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা বিমানযোগে ভ্রমন করিয়ে অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের বিমানের কর্মকর্তা হিসাবে পরিচয় করিয়ে দেয়। ভুক্তভোগীদের নিকট হতে নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পূর্ব মহূর্ত পর্যন্ত মোবাইল ফোনে এবং সরাসরি যোগোযোগ অব্যাহত থাকলেও পরবর্তীতে মোবাইল নম্বর বন্ধ করে ফেলে। এমনকি বাসা পরিবর্তন করে আবার পূর্বের ন্যায় নতুন চাকুরী প্রত্যাশীদের টার্গেট করে প্রতারণার সকল কার্যক্রম অব্যহত রাখে।
কে এই মমতাজ বেগম?
প্রাথমিক অনুসন্ধানকালে জানা যায় মমতাজ বেগমের বিগত ২০১৮ সালের প্রতারণার অভিযোগে নগরীর বন্দর থানায় ০২(দুই)টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারী করলে পুলিশ ২০২০ সালে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে সোপর্দ করে। জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে সে পুনরায় চাকরী দিবে বলে নিরীহ লোকজনদের মনে বিশ্বাস স্থাপন করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে থাকে।
সরজমিনে অনুসন্ধানকালে জানা যায় উক্ত প্রতারক নারী এক জায়গায় বেশীদিন বসবাস করেননা। কিছুদিন এক বাসায় বসবাস করার ৪/৫ মাস পর বাসা বদল করে। যাতে তার ঠিকানা কেউ খুজে না পায়। সন্দীপ থানাসূত্রে জানা যায় তার নামে প্রতারণার মামলায় ০২(দুই)টি গ্রেপ্তারী পরোয়ানা মূলতবী আছে। এছাড়াও ভুক্তভোগীরা শতাধিক লোকজনের নিকট হতে টাকা আত্মসাৎের অভিযোগ পাওয়া যাইতেছে যেগুলোর তদন্ত এবং অনুসন্ধান অব্যাহত আছে।
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১ জুলাই পরবর্তী বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলার প্রয়োজনীয় তথ্য...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : আসিফ জামান, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় সাংব...বিস্তারিত
অনুসন্ধান অনলাইন ডেস্ক : বর্তমান বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকেও অনেক তরুণ উদ্যেক্তা ও প্রতিষ্ঠান অনলাইনে প্রযুক্...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : আগামী বুধবার (২৬ মে) চন্দ্রগ্রহণ। যা দেখা যাবে বাংলাদেশের আকাশেও। গতকাল বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদ...বিস্তারিত
দৈনিক অনুসন্ধান : ‘লাল গ্রহ’ মঙ্গলের আকাশে সেই দীর্ঘতম মেঘের আবির্ভাব ও উধাও হওয়ার রহস্যের জট খুলল ইউরোপিয়ান স্প...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন, বিশেষ প্রতিনিধি : সৃষ্টির আদিকাল থেকেই মানুষ সুবিশাল মহাকাশ ভ্রমণের এক সুপ্ত বাসনা মনের মধ্যে পোষণ করেছে কিন্তু না...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৯ - © 2026 dailyonusondhan | Developed By Muktodhara Technology Limited